তোমার উদ্দেশ্যে একটা কথা জানানোর ছিল।
তুমি কি জানো?
লাল, নীল, ধূসর, কালো শার্টে তোমায় বেশ মানাতো।
যেদিন প্রথম দেখা হয়েছিল তোমার সাথে,
এক বর্ষা ঋতুতে, ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হচ্ছিল।
ধুসর রঙের শার্ট পড়েছিলে, ঠিক সেদিনের ধুসর মেঘের মতো।
আর আমি?
পড়েছিলাম নীল আকাশ তোমার ধুসর মেঘের জন্যে।
ব্যাপারটা কাকতালীয় যদিও, কিন্তু তোমার আগমনটাও বা কবে পূর্ব পরিকল্পিত ছিল?
তোমার উদ্দেশ্যে একটা চিঠি লেখার ছিল।
ছোট এক-দুই লাইন ছাড়া তোমার অনুচ্ছেদ পড়ার ধৈর্য্য হয়না,
তোমার বিষয় নিখুঁত জিনিস আমার ছিল না অজানা,
যার জন্যে তোমাকে চিঠিটা আর দেওয়াও হলোনা।
তোমার উদ্দেশ্যে একটা কবিতা লেখার ছিল,
আমি জানি প্রিয়, কবিতা তোমার অপ্রিয়।
কবিতা তোমাকে ভাবায় না, আমি কবিতা ছাড়া কিছুই না।
সুর্যাস্তের গভীরতা তুমি জানতে চাও না,
প্রেমে পড়া তোমার জন্য এখনো গর্হিত
আর আমার তোমার থেকে দূরে থাকা ছিল দুরূহ।
তোমার উদ্দেশ্যে একটা প্রশ্ন করার ছিল।
তুমি কি বোঝো, আমার লেখাগুলো তোমার জন্য?
আমার চিন্তা ভাবনা তোমাকে নিয়ে মগ্ন?
দেখেও কি না দেখার ভান করে থাকো?
তোমার উদ্দেশ্যে একটা শেষ কথা বলার ছিল।
তোমার কাছে নিজেকে সঁপে দিয়ে দেখলাম,
তুমি যার, তারই; সবাই তোমার।
যার কারনে তোমার কাছে ফিরে আসা হচ্ছে না আর।
তোমার উদ্দেশ্যে,
যদিও রয়ে গেছে বাকি অনেক কিছু বলার,
কিন্তু তোমার কাছে… ফিরে আসা হচ্ছে না আর।